৪০তম বিসিএস

40th BCS Preliminary

বাংলা - ৩৫
০১. বাক্যের ক্রিয়ায় সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কী বলে?
(ক) বিভক্তি
(খ) কারক
(গ) প্রত্যয়
(ঘ) অনুসর্গ
উত্তর: (খ) কারক

ব্যাখ্যা: কৃ + নক = কারক। বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে।

০২. ‘গীর্জা’ কোন ভাষার অন্তর্গত শব্দ?
(ক) ফারসী
(খ) পর্তুগীজ
(গ) ওলন্দাজ
(ঘ) পাঞ্জাবী
উত্তর: (খ) পর্তুগীজ

ব্যাখ্যা: পর্তুগিজ শব্দ- গীর্জা, পাদ্রী, বোবা, কেরানী, মিস্ত্রি, কামড়া, জানালা, আয়া, আলাপ, আচাড়, ইংরেজ, পিস্তল, তোয়ালে, গুদাম, চাবি, আলমিরা, গামলা, বালতি, আনারস, পেপে, পেয়ারা, তামাক, আলপিন, খোঁচা, নোনা।

০৩. কোন শব্দযুগল বিপরীতা্র্থক নয়?
(ক) ঐচ্ছিক-অনাবশ্যক
(খ) কুটিল-সরল
(গ) কম-বেশী
(ঘ) কদাচার-সদাচার
উত্তর: (ক) ঐচ্ছিক-অনাবশ্যক

ব্যাখ্যা: ঐচ্চিক-অনাবশ্যিক (সমার্থক শব্দ)।

০৪. দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক-বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?
(ক) তৃতীয়া বিভক্তি
(খ) প্রথমা বিভক্তি
(গ) দ্বিতীয়া বিভক্তি
(ঘ) শূন্য বিভক্তি
উত্তর: (ক) তৃতীয়া বিভক্তি

০৫. ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ কী?
(ক) বিরামহীন
(খ) বালিশ
(গ) চলন
(ঘ) সুন্দর
উত্তর: (ঘ) সুন্দর

ব্যাখ্যা: অভিরাম- [বিশেষণ পদ] সুন্দর, আনন্দদায়ক। [অভি+রম্‌+অ]। অভিরাম (adjective) Beautiful; pretty; handsome; pleasing.

০৬. শরতের শিশির-বাগধারা শব্দটির অর্থ কী?
(ক) সুসময়ের বন্ধু
(খ) সুসময়ের সঞ্চয়
(গ) শরতের শোভা
(ঘ) শরতের শিউলি ফুল
উত্তর: (ক) সুসময়ের বন্ধু

ব্যাখ্যা: “শরতের শিশির” বাগধারাটির অর্থ সুসময়ের বন্ধু, ক্ষণস্থায়ী। সুসময়ের বন্ধুরা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে দুধের মাছি বাগধারার অর্থও সুসময়ের বন্ধু।

০৭. শিব রাত্রির সলতে-বাগধারাটির অর্থ কী?
(ক) শিবরাত্রির আলো
(খ) একমাত্র সঞ্চয়
(গ) একমাত্র সন্তান
(ঘ) শিবরাত্রির গুরুত্ব
উত্তর: (গ) একমাত্র সন্তান

ব্যাখ্যা: শিব রাত্রির সলতে বলতে বুঝায় পিতা মাতার এক মাত্র জীবিত সন্তান/এক মাত্র সন্তান/এক মাত্র অবলম্বন/একমাত্র বংশধর।

০৮. “প্রোষিতভর্তৃকা”- শব্দটির অর্থ কী?
(ক) ভৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী
(খ) যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
(গ) ভূমিতে প্রােথিত তরুমূল
(ঘ) যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে
উত্তর: (খ) যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে

ব্যাখ্যা: ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত তরুণী/নারী- ভর্ৎসিতা; যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে- প্রোষিতভর্তৃকা; যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে- প্রোষিতপত্নীক/ প্রোষিতভার্য; বিবাহিতা/অবিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে- চিরন্ট।

০৯. বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
(ক) কারক
(খ) লিখিত
(গ) বেদনা
(ঘ) খেলনা
উত্তর: (ঘ) খেলনা

ব্যাখ্যা: কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদটিকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। অর্থাৎ যে নাম পদ (বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ) ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে গঠিত, তাকে কৃদন্ত পদ বলে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ক্রিয়ামূল বা ধাতু থেকে গঠিত বিশেষ্য বা বিশেষণ পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। যেমন, উপরের পড়ুয়া, নাচুনে, জিতা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কৃৎ প্রত্যয় ২ প্রকার- বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। না (বাংলা কৃৎ প্রত্যয়): বিশেষ্য গঠনে ব্যবহৃত হয়। √কাঁদ+না = কাঁদনা ˃ কান্না √রাঁধ+না = রাঁধনা ˃ রান্না √ঝর+না = ঝরনা

১০. ‘Attested’-এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
(ক) সত্যায়িত
(খ) প্রত্যয়িত
(গ) সত্যায়ন
(ঘ) সংলগ্ন/সংলাপ
উত্তর: (খ) প্রত্যয়িত

ব্যাখ্যা: Attested এর বহুল ব্যবহৃত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে ‘সত্যায়িত’। সূত্র হিসেবে বাংলা একাডেমী English to Bengali dictionary উল্লেখ করা যেতে পারে। ড. শাহজান মনিরের বাংলা ব্যাকরণে attestation শব্দটির বাংলা দেয়া হয়েছে ‘সত্যায়ন’।

১১. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(ক) প্রজ্বল
(খ) প্রোজ্জল
(গ) প্রোজ্বল
(ঘ) প্রোজ্জ্বল
উত্তর: (ঘ) প্রোজ্জ্বল

ব্যাখ্যা: কিছূ শুদ্ধ বানান: বয়োজ্যেষ্ঠ বাল্মীকি বিদুষী বিভীষিকা বুদ্ধিজীবী বৈয়াকরণ পৈতৃক প্রণয়ন প্রতিযোগিতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রাণিবিদ্যা প্রোজ্জ্বল/প্রজ্জ্বলন ফটোস্ট্যাট বহিষ্কার, ব্যর্থ ব্যতীত।

১২. ‘জোছনা’ কোন শ্রেণীর শব্দ?
(ক) যৌগিক
(খ) তৎসম
(গ) দেশী
(ঘ) অর্ধ-তৎসম
উত্তর: (ঘ) অর্ধ-তৎসম

ব্যাখ্যা: অর্ধ-তৎসম শব্দ: যে-সব সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে সেগুলোকে বলা হয় অর্ধ-তৎসম শব্দ। যেমনঃ জ্যোৎস্না>জ্যোছনা, শ্রাদ্ধ >ছেরাদ্দ, গৃহিণী>গিন্নী, বৈষ্ণব>বোষ্টম, কুৎসিত >কুচ্ছিত।

১৩. “জিজীবিষা’ শব্দটি দিয়ে বােঝায়–
(ক) জয়ের ইচ্ছা
(খ) হত্যার ইচ্ছা
(গ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা
(ঘ) শােনার ইচ্ছা
উত্তর: (গ) বেঁচে থাকার ইচ্ছা

ব্যাখ্যা: জিজীবিষা- বেঁচে থাকার ইচ্ছা। জিগীষা- জয়ের ইচ্ছা (প্রবল জিগীষার আত্মপ্রকাশ)। জিঘাংসা- বধ করার বা হত্যার ইচ্ছা। জিঘাংসু- হত্যা করতে চায় এমন; হত্যা করতে ইচ্ছুক।

১৪. “সর্বাঙ্গীণ” শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয়
(ক) সর্বঙ্গ+ঈন
(খ) সর্ব + অঙ্গীন
(গ) সর্ব + ঙ্গীন
(ঘ) সর্বাঙ্গ + ঈন
উত্তর: (ঘ) সর্বাঙ্গ + ঈন

ব্যাখ্যা: সর্বাঙ্গীণ’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয়- সর্বাঙ্গ+ঈন। সর্বাঙ্গীণ, সর্বাঙ্গীন/বিশেষণ পদ/সম্পূর্ণ, নিঁখুত; সর্বাঙ্গব্যাপী; পূর্ণাঙ্গ।

১৫. অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়–
(ক) বেতসবৃত্তি
(খ) পতঙ্গবৃত্তি
(গ) জলৌকাবৃত্তি
(ঘ) কুম্ভিলকবৃত্তি
উত্তর: (ঘ) কুম্ভিলকবৃত্তি

ব্যাখ্যা: কুম্ভিলকবৃত্তি ( Plagiarism ): অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয় । পতঙ্গবৃত্তি- পতঙ্গের মতো আগুনে ঝাঁপ দেওয়া; বিপদ না বুঝে মনোহর কিন্তু বিপজ্জনক বস্তুর মোহে ধাবিত হয়ে আত্মনাশ করা। বেতসবৃত্তি- [বিশেষ্য পদ] বেতসলতার ন্যায় নমনশীলতা, বেতসলতা যেমন জলস্রোতে নত হয় সেরূপ অল্পেই নতিস্বীকার।

১৬. উর্ণনাভ’—শব্দটি দিয়ে বুঝায়–
(ক) টিকটিকি
(খ) তেলেপােকা
(গ) উইপােকা
(ঘ) মাকড়সা
উত্তর: (ঘ) মাকড়সা

ব্যাখ্যা: ঊর্ণনাভ:- [বিশেষ্য পদ]-সংস্কৃত শব্দ -এর অর্থ মাকড়সা।

১৭. চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে?
(ক) খ্রীষ্টধর্ম
(খ) প্যাগনিজম
(গ) জৈনধর্ম
(ঘ) বৌদ্ধধর্ম
উত্তর: (ঘ) বৌদ্ধধর্ম

ব্যাখ্যা: ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত “চর্যাপদ” হল বৌদ্ধ সহজিয়া পন্থীদের দেহ সাধনার বই। চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। বৌদ্ধ ধর্মমতে- শূন্যতা + করূণা= বোধিসত্ত্বলাভ ইহ জগতের সবকিছুই মূল্যহীন এই উপলব্ধি হচ্ছে- শূন্যতা। আর বস্তু জগতের লোভ লালসা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বলে – করূণা। এই দুয়ের সমন্বয়ে সাধনার চরম স্তরে পৌঁছানো যায়। অর্থাৎ বোধিসত্ত্ব লাভ হয়।

১ সংখ্যক চর্যায় লুইপা লিখেছেন, “কাআ তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিএ পইঠা কাল।।” অর্থাৎ দেহ হল তরুর মত পাঁচটা যার ডাল চঞ্চল চিত্তে প্রবেশ করে কাল। চর্যাপদে দেহ সাধনার কথা লেখা হয়েছে গূঢ় রহস্যপূর্ণ ভাষায়- যা সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব।

১৮. উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন?
(ক) কাহ্ণপাদ
(খ) লুইপাদ
(গ) শান্তিপাদ
(ঘ) রমনীপাদ
উত্তর: (ঘ) রমনীপাদ

ব্যাখ্যা: কাহ্নপাদ বা কাহ্ন পা বা কৃষ্ণপাদ বা কৃষ্ণাচার্য্য চুরাশিজন বৌদ্ধ মহাসিদ্ধদের মধ্যে একজন ছিলেন। তিনি চর্যাপদের তেরোটি পদ রচনা করেন। তবে কাহ্নপা রচিত ২৪তম পদটি পাওয়া যায়নি। চর্যাপদে শান্তি পার একটি পদ গৃহীত হয়েছে। শান্তি পা বিক্রমশিলা বিহারের দ্বারপণ্ডিত ছিলেন। দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান অতীশ তার শিষ্য। এগার শতকের প্রথমে তিনি জীবিত ছিলেন। তার চর্যাপদের ভাষা প্রাচীন মৈথিলি। শান্তি পা রত্নাকর শান্তির সংক্ষিপ্ত নাম। চর্যাপদের প্রথম এবং ঊনত্রিশতম পদ লুই পার রচনা ।


১৯. উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত নয়?
(ক) ময়মনসিংহ গীতিকা
(খ) ইউসুফ-জুলেখা
(গ) পদ্মাবতী
(ঘ) লাইলী মজনু
উত্তর: (ক) ময়মনসিংহ গীতিকা

ব্যাখ্যা: ১৯১৬ সালে ময়মনসিংহের কবি চন্দ্রকুমার দে প্রথম সেই এলাকার প্রচলিত পালাগান বা গাথাগুলি সংগ্রহ করেছিলেন। আচার্য দীনেশচন্দ্র সেনের উত্সাহে তা পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। এই সমস্ত পালা ময়মনসিংহ গীতিকা নামেই পরিচিতি লাভ করে। এটি লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত।

২০. জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত:
(ক) ফকির গরীবুন্যাহ
(খ) নরহরি চক্রবর্তী
(গ) বিপ্রদাস পিপিলাই
(ঘ) বৃন্দাবন দাস
উত্তর: (ঘ) বৃন্দাবন দাস

ব্যাখ্যা: বৃন্দাবন দাস একজন মধ্যযুগীয় এবং পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি ছিলেন। বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে ১৬ শতকের শুরুতে জন্ম। তাঁর রচিত শ্রীচৈত্যন্যদেবের জীবনী চৈত্যন্যভাগবত সবচেয়ে পুরোনো যা বৈষ্ণব সমাজে বেদব্যাস হিসাবে বিখ্যাত। তাঁর রচিত গোপিকামোহন কাব্যও বৈষ্ণব সমাজের আদরের বস্তু। তিনি কৃষ্ণকর্ণামৃতটীকা, নিত্যানন্দযুগলাষ্টক, রসকল্পসারস্তব, রামানুজগুরু-পরম্পরা প্রভৃতি কয়েকটি সংস্কৃত কাব্য রচনা করে যশ লাভ করেন।

২১. বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?
(ক) সন্ধ্যাভাষা
(খ) অধিভাষা
(গ) ব্রজবুলি
(ঘ) সংস্কৃত ভাষা
উত্তর: (গ) ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা: ব্রজবুলি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় কাব্যভাষা বা উপভাষা। ব্রজবুলি মূলত এক ধরনের কৃত্রিম মিশ্রভাষা। মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রিত রূপ হলো ব্রজবুলি ভাষা। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৭৪-১৪৬০) এর উদ্ভাবক। তার পদের ভাব ও ভাষার অনুসরণে বাংলা, উড়িষ্যা ও আসামে পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ব্রজবুলি ভাষার সৃষ্টি হয়।

২২. বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন–
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) প্যারীচাঁদ মিত্র
(গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
(ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর: (ঘ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (২৬ জুন ১৮৩৮ – ৮ এপ্রিল ১৮৯৪) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি ঔপন্যাসিক। বাংলা গদ্য ও উপন্যাসের বিকাশে তার অসীম অবদানের জন্যে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমরত্ব লাভ করেছেন। তাকে সাধারণত প্রথম আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যপত্র বঙ্গদর্শনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কমলাকান্ত নামটি বেছে নিয়েছিলেন। তাকে বাংলা সাহিত্যের সাহিত্য সম্রাট বলা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কবিতা বন্দে মাতরম ১৯৩৭ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কর্তৃক ভারতের জাতীয় স্তোত্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

২৩. “কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যা বেলায় দীপ জ্বালার আগে। সকাল বেলায় সলতে পাকানাে” –বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?
(ক) নৌকাডুবি
(খ) চোখের বালি
(গ) যোগাযোগ
(ঘ) শেষের কবিতা
উত্তর: (গ) যোগাযোগ

ব্যাখ্যা: যোগাযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। এটি ১৯২৯ সালে (আষাঢ়, ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। এটি প্রথমে ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মাস থেকে ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের চৈত্র মাস পর্যন্ত বিচিত্রা মাসিকপত্রে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। প্রথম দুই সংখ্যায় এই উপন্যাসের শিরোনাম ছিল তিনপুরুষ। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের অগ্রহায়ণ সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসের শিরোনাম পরিবর্তন করে নতুন শিরোনাম দেন যোগাযোগ।

২৪. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
(ক) একটি কালাে মেয়ের কথা
(খ) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
(গ) আয়নামতির পালা
(ঘ) ইছামতী
উত্তর: (ক) একটি কালাে মেয়ের কথা

ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লিখিত প্রথম উপন্যাস একটি কালো মেয়ের কথা রচনা করেছিলেন শ্রেষ্ঠ কথাশিল্পী তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে। তবে, উপন্যাসটিতে ব্যক্তিগত কথকতা ছাপিয়ে বড়ো হয়ে উঠেছে পূর্ব বাংলার সমাজ-রাজনীতি, গণহত্যা ও বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধ।

২৫. কালাে বরফ’ উপন্যাসটির বিষয়:
(ক) তেভাগা আন্দোলন
(খ) ভাষা আন্দোলন
(গ) মুক্তিযুদ্ধ
(ঘ) দেশভাগ
উত্তর: (ঘ) দেশভাগ

ব্যাখ্যা: কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক রচিত ‘কালো বরফ’ উপন্যাসে দেশভাগের পটভূমি ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে আর উঠে এসেছে শেকড় হারাবার বেদনায় বিমর্ষ কিছু চরিত্র। শৈশব-কৈশোর তাড়িত আব্দুল খালেক নামে এক ব্যক্তির স্বাতন্ত্র্য সত্ত্বা উন্মোচিত হয়েছে এ উপন্যাসে। হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ-দাঙ্গা দ্বেষ-ক্ষোভ এবং মিলন বর্নিত হয়েছে। শৈশবের স্মৃতিবিজড়িত দেশ বা মাটি— যে দেশ বা মাটি খালেকের জীবনের সবচেয়ে বড় অধ্যায়।

মফস্বলের কলেজ শিক্ষক প্রথাবিচ্ছিন্ন মানুষ আবদুল খালেক এবং তার অর্ন্তজগতের সম্রাট ‘পোকা’, এই নিয়েই ‘কালো বরফ’। ‘পোকা’ আবদুল খালেকের শৈশব। আবদুল খালেক একজন বিচ্ছিন্ন এবং নিঃসঙ্গ মানুষ, যে নিজেই নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে, বলা যায় খানিকটা পিছিয়ে পড়া দলের মানুষ। এই দলছুট মানুষ আবদুল খালেকের শৈশব-কৈশোর ও বর্তমান এবং উভয়ের সমন্বয়ে চিত্রায়িত কতকগুলো স্মৃতি-বিস্মৃতির দৃশ্যপটই ‘কালো বরফ’।

২৬. ঢাকা প্রকাশ সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে?
(ক) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
(খ) রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
(গ) শামসুর রাহমান
(ঘ) সিকান্দার আবু জাফর
উত্তর: (ক) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার

ব্যাখ্যা: ঢাকা প্রকাশ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ বাবুবাজারের ‘বাঙ্গালা যন্ত্র’ থেকে। পত্রিকার শিরোনামের নিচে একটি সংস্কৃত শ্লোকাংশ ‘সিদ্ধিঃ সাধ্যে সমামস্ত্ত’ (সাধ্য অনুযায়ী সিদ্ধিলাভ হোক) মুদ্রিত হতো। প্রতি সপ্তাহে গুরুবার অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তা বের হতো। ডাকমাশুলসহ পত্রিকার বার্ষিক মূল্য ছিল ৫ টাকা। ঢাকা প্রকাশের প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

২৭. ‘জীবনস্মৃতি’ কার রচনা?
(ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
(খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
(ঘ) রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন
উত্তর: (খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্হ- জীবনস্মৃতি (১৯১২)। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্নজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম- আত্মচরিত।

২৮. দীনবন্ধু মিলের ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?
(ক) প্যারীচাঁদ মিত্র
(খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(গ) প্রমথ চৌধুরী
(ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: (খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্যাখ্যা: নীলদর্পণ নাটকটি লিখেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে। এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

২৯. “সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালাে হয়ে চলি”- চরণ দু’টির রচয়িতা কে?
(ক) চণ্ডীচরণ মুনশী
(খ) কাজী নজরুল ইসলাম
(গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(ঘ) মদনমােহন তর্কালঙ্কার
উত্তর: (ঘ) মদনমােহন তর্কালঙ্কার

৩০. জসীম উদ্দীনের রচনা কোনটি?
(ক) যাদের দেখেছি
(খ) পথে-প্রবাসে
(গ) কাল নিরবধি
(ঘ) ভবিষ্যতের বাঙালী
উত্তর: (ক) যাদের দেখেছি

ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীনের আত্নকথা: যাদের দেখেছি (১৯৫১) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১) জীবন কথা (১৯৬৪) স্মৃতিপট (১৯৬৪) স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮)।অন্যদিকে, পথে প্রবাসে– অন্নদাশঙ্কর রায়, কাল নিরবধি– আনিসুজ্জামান, ভবিষ্যতের বাঙালী- এস ওয়াজেদ আলী।

৩১. ‘কিন্তু মনুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’– উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
(ক) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি
(খ) শরৎচন্দ্রের পথের দাবী’
(গ) শওকত ওসমানের ক্রীতদাসের হাসি
(ঘ) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’
উত্তর: (ঘ) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’

ব্যাখ্যা: রাজসিংহ ১৮৮২ ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪।

৩২. ইয়ংবেঙ্গল গােষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?
(ক) অক্ষয় কুমার দত্ত
(খ) এন্টনি ফিরঙ্গি
(গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
(ঘ) কলম্বিসাসিংহ ঠাকুর
উত্তর: (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্যাখ্যা: ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী ও হিন্দু কলেজ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইয়ংবেঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও(হিন্দু কলেজের শিক্ষক) ১৮৩১ সালে ইয়ংবেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।ডিরোজিওর শিষ্যরাই ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত,ইয়ংবেঙ্গলরা মূলত ইংরেজ ভাবধারাপুষ্ট বাঙালী যুবক।

ইয়ংবেঙ্গলের আদর্শ- আস্তিকতা হোক আর নাস্তিকতা হোক, কোন জিনিসকে পূর্ব থেকে গ্রহণ না করা; জিজ্ঞাসা ও যুক্তি দিয়ে বিচার করা।তারা সাহিত্যে যুক্তিশীলতা ও মানবিকতাকে বড় করে ফুটিয়ে তুলেছেন। ডিরোজিওর প্রধান গ্রন্থ– ‘The Fakeer of Jungkeera’ হিন্দু কলেজের মেধাবী ছাত্র ও সাহিত্যিকরা হলেন– প্যারীচাদ মিত্র, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র, কালিপ্রসাদ ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, মাধবচন্দ্র মল্লিক, রামতনু লাহিড়ী প্রমুখ।

৩৩. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯২৩ সনে
(খ) ১৯২১ সনে
(গ) ১৯১৯ সনে
(ঘ) ১৯১৮ সনে
উত্তর: (খ) ১৯২১ সনে

ব্যাখ্যা: কলকাতার তালতলা লেনের ৩/৪ সি বাড়িটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার আঁতুড়ঘর। ১৯২১ সালে দ্বিতল এই বাড়িটিতে বসে কবি লিখেছিলেন রক্তে দোলা জাগানিয়া ‘বল বীর.. চীর উন্নত মম শির।’

৩৪. ‘আগুন পাখি’– উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
(ক) রাহাত খান
(খ) হাসান আজিজুল হক
(গ) সেলিনা হােসেন
(ঘ) ইমদাদুল হক মিলন
উত্তর: (খ) হাসান আজিজুল হক

ব্যাখ্যা: হাসান আজিজুল হক (জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৯) একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যক হিসেবে পরিগণিত। ষাটের দশকে আবির্ভূত এই কথাসাহিত্যিক তার সুঠাম গদ্য এবং মর্মস্পর্শী বর্ণনাভঙ্গির জন্য প্রসিদ্ধ। জীবনসংগ্রামে লিপ্ত মানুষের কথকতা তার গল্প-উপন্যাসের প্রধানতম অনুষঙ্গ। রাঢ়বঙ্গ তার অনেক গল্পের পটভূমি।

আগুনপাখি (২০০৬) হক রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে। ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদকে ও ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে। এই অসামান্য গদ্যশিল্পী তার সার্বজৈবনিক সাহিত্যচর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে “সাহিত্যরত্ন” উপাধি লাভ করেন।

৩৫. একুশে ফেব্রুয়ারীর বিখ্যাত গানটির সুরকার কে?
(ক) সুবীর সাহা
(খ) সুধীন দাস
(গ) আলতাফ মাহমুদ
(ঘ) আলতাফ মামুন
উত্তর: (গ) আলতাফ মাহমুদ

ব্যাখ্যা: ১. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।” এ গানের গীতিকার -আব্দুল গাফফার চৌধুরী। ২.’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।” এ গানের ১ম সুরকার- আব্দুল লতিফ। ৩. “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।” গানটির বর্তমান -আলতাফ মাহমুদ।

English Language and Literature - 35
৩৬. Please write to me at the above address. The word ‘above in this sentence is a/an–
(ক) noun
(খ) adjective
(গ) pronoun
(ঘ) adverb
উত্তর: (খ) adjective

৩৭. In which sentence is the word ‘past’ used as a preposition?
(ক) Writing letters is a thing of the past.
(খ) I look back on the past without regret.
(গ) I called out to him as he ran past.
(ঘ) Tania was a wonderful singer, but she’s past.
উত্তর: (ঘ) Tania was a wonderful singer, but she’s past.

ব্যাখ্যা: Past can be used as a preposition (followed by a noun): past + NP.

৩৮. The word ‘sibling’ means
(ক) a brother
(খ) a sister
(গ) a brother or sister
(ঘ) an infant
উত্তর: (গ) a brother or sister

৩৯. Fill in the blank: As she was talking, he suddenly broke____, saying, ‘That’s a fie!”
(ক) off
(খ) in
(গ) down
(ঘ) into
উত্তর: (খ) in

ব্যাখ্যা: break in = to interrupt someone’s conversation.

৪০. Fill in the blank: You may go for a walk if you feel _____ it.
(ক) about
(খ) on
(গ) like
(ঘ) for
উত্তর: (গ) like

ব্যাখ্যা: Feel like = To have the urge or desire to do something.

৪১. Identify the word which is spelt incorrectly
(ক) consciencious
(খ) perseverance
(গ) convalescence
(ঘ) maintenance
উত্তর: (ক) consciencious

ব্যাখ্যা: Consciencious > conscientious

৪২. “You look terrific in that dress!” The word ‘terrific’ in the above sentence means–
(ক) excellent
(খ) funny
(গ) very ugly
(ঘ) horrible
উত্তর: (ক) excellent

ব্যাখ্যা: এখানে terrific তার আভিধানিক অর্থের পরিবর্তে Figurative Language হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ দিচ্ছে।

৪৩. Someone who is capricious is ______.
(ক) easily irritated
(খ) wise and willing to cooperate
(গ) exceedingly conceited and arrogant
(ঘ) known for sudden changes in attitude or behavior
উত্তর: (ঘ) known for sudden changes in attitude or behavior

ব্যাখ্যা: Someone who is capricious is known for sudden changes in attitude or behavior. Capricious = অস্হিরচিত্তের মানুষ

৪৪. Which one of the following Words is masculine?
(ক) mare
(খ) lad
(গ) pillow
(ঘ) pony
উত্তর: (খ) lad

ব্যাখ্যা: Lad (masculine) – Lass (feminine)

৪৫. A man whose wife has died is called a–
(ক) widow
(খ) widower
(গ) spinster
(ঘ) bachelor
উত্তর: (খ) widower

ব্যাখ্যা: A man whose wife has died is called a- widower. spinster- অবিবাহিত মহিলা; Bachelor- অবিবাহিত পুরুষ ।

৪৬. Which word is similar to appal?
(ক) deceive
(খ) confuse
(গ) dismay
(ঘ) solicit
উত্তর: (গ) dismay

ব্যাখ্যা: Appal- Dismay; হতাশ করা, মর্মাহত করা, আতঙ্কিত করা

৪৭. Which word means the opposite of dearth?
(ক) lack
(খ) abundance
(গ) poverty
(ঘ) shortage
উত্তর: (খ) abundance

ব্যাখ্যা: Dearth (অভাব/ আকাল)- Abundance (প্রাচুর্য);

৪৮. Identify the word which remains the same in its plural form?
(ক) aircraft
(খ) intention
(গ) mouse
(ঘ) thesis
উত্তর: (ক) aircraft

৪৯. Identify the determiner in the following sentence ‘I have no news for you.’
(ক) have
(খ) news
(গ) no
(ঘ) for
উত্তর: (গ) no

৫০. ‘A lost opportunity never returns. Here lost’ is-
(ক) gerund
(খ) verbal noun
(গ) gerundial infinitive
(ঘ) participle
উত্তর: (ঘ) participle

৫১. The saying ‘enough is enough’ is used when you want
(ক) Something to continue
(খ) something to stop
(গ) something to continue until it’s enough
(ঘ) to tell instructions are clear
উত্তর: (খ) something to stop

৫২. ‘He ran with great speed.’ The underlined part of the sentence is a–
(ক) noun phrase
(খ) adverb phrase
(গ) adjective phrase
(ঘ) participle phrase
উত্তর: (খ) adverb phrase

৫৩. ‘We must not be late, else we will miss the train. This is a-
(ক) compound sentence
(খ) complex sentence
(গ) simple sentence
(ঘ) interrogative sentence
উত্তর: (ক) compound sentence

৫৪. Change the voice ‘Who is calling me’?
(ক) By whom am I called?
(খ) By whom I am called?
(গ) By whom am I being called?
(ঘ) Whom am I called by?
উত্তর: (গ) By whom am I being called?

ব্যাখ্যা: Passive: By whom+am+ Subject (I)+being + v3+ ?

৫৫. An extra message added at the end of a letter after it is signed is called–
(ক) corrigendum
(খ) postscript
(গ) NB
(ঘ) RSVP
উত্তর: (খ) postscript

৫৬. ‘The Rape of the Lock by Alexander Pope is a/an
(ক) epic
(খ) ballad
(গ) mock-heroic poem
(ঘ) elegy
উত্তর: (গ) mock-heroic poem

৫৭. Which of the following is not an American poet?
(ক) Robert Frost
(খ) W. B. Yeats
(গ) Emily Dickinson
(ঘ) Langston Hughes.
উত্তর: (খ) W. B. Yeats

ব্যাখ্যা: William Butler Yeats (13 June 1865 – 28 January 1939) was an Irish poet and one of the foremost figures of 20th-century literature.

৫৮. William Shakespeare was born in–
(ক) 1616
(খ) 1664
(গ) 1564
(ঘ) 1493
উত্তর: (গ) 1564

৫৯. Tennyson’s ‘In Memoriam’ is an elegy on the death of
(ক) John Milton
(খ) John Keats
(গ) Arthur Henry Hallam
(ঘ) Sydney Smith
উত্তর: (গ) Arthur Henry Hallam

ব্যাখ্যা: Tennyson’s ‘In Memoriam’ is an elegy on the death of- Arthur Henry Hallam.n elegy মানে শোক কবিতা । প্রিয় ক্যামব্রিজ বন্ধুর মৃত্যুর শোকে কবিতাটি লিখেন।

৬০. ‘Sweet Helen’ make me immortal with a kiss. The sentence has been taken from the play
(ক) Romeo and Juliet
(খ) Caesar and Cleopatra
(গ) Doctor Faustus
(ঘ) Antony and Cleopatra
উত্তর: (গ) Doctor Faustus

ব্যাখ্যা: Doctor Faustus (Marlowe)

৬১. “What’s in a name? That which we call a rose. By any other name would smell as sweet – Who said this?
(ক) Juliet
(খ) Romeo
(গ) Portia
(ঘ) Rosalind
উত্তর: (ক) Juliet

৬২. ‘Man’s love is of man’s life a thing apart, `Tis woman’s whole existence.’- This is taken from the poem of’
(ক) P. B. Shelley
(খ) Lord Byron
(গ) John Keats
(ঘ) Edinund Spense
উত্তর: (খ) Lord Byron

ব্যাখ্যা: Extracts from Don Juan: Donna Julia’s Letter By Lord Byron (1788–1824)[From Canto I.]

৬৩. Boi Who translated the ‘Rubaiyát of Omar Khayyam into English?
(ক) Thomas Carlyle
(খ) Edward Fitzgerald
(গ) D. G. Rossetti
(ঘ) William Thackeray
উত্তর: (খ) Edward Fitzgerald

৬৪. ‘Ulysses’ is a novel Written by –
(ক) Joseph Conrad
(খ) Thotias Hardy
(গ) Charles Dickens
(ঘ) James Joyce
উত্তর: (ঘ) James Joyce

৬৫. The short story ‘The Diamond Necklace’ was written by –
(ক) Guy de Maupassant
(খ) O Henry
(গ) Somerset Maugham
(ঘ) George Orwell
উত্তর: (ক) Guy de Maupassant

ব্যাখ্যা: The Necklace” or “The Diamond Necklace” (French: La Parure) is an 1884 short story by French writer Guy de Maupassant.

৬৬. All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand.’ – Who said this?
(ক) Macbeth
(খ) Lady Macbeth
(গ) Lady Madcuff
(ঘ) Madcuff
উত্তর: (খ) Lady Macbeth

৬৭. ‘Where are the songs of Spring? Aye, where are they? Think not of them, thou hast thy music too.’ – Who wrote this?
(ক) William Wordsworth
(খ) Robert Browning
(গ) John Keats
(ঘ) Samuel Coleridge
উত্তর: (গ) John Keats

ব্যাখ্যা: In poem- To Autumn.

৬৮. Who is the central character of ‘Wuthering Heights’,
(ক) Mr. Earnishaw
(খ) Catheritae
(গ) Heathcliff
(ঘ) Hindley Earshaw
উত্তর: (গ) Heathcliff

ব্যাখ্যা: Wuthering Heights, Emily Brontë’s only novel, was published in 1847 under the pseudonym “Ellis Bell”.

৬৯. The old order changeth, yielding place to new.’- This line is extracted from Tennyson’s poem –
(ক) The Lotos-Eaters
(খ) Tithonus
(গ) Locksley Hall.
(ঘ) Morte d’ Arthur
উত্তর: (ঘ) Morte d’ Arthur

৭০. Who wrote the poem ‘The Good-Morrow?
(ক) George Herbert
(খ) Andrew Marvell
(গ) John Donne
(ঘ) Henry Vaughan
উত্তর: (গ) John Donne

: Bengladesh Affairs 30
৭১. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন?
(ক) ১৪৯৮-১৫১৬ খৃষ্টাব্দ
(খ) ১৪৯৮-১৫১৭ খৃষ্টাব্দ
(গ) ১৪৯৮-১৫১৮ খৃষ্টাব্দ
(ঘ) ১৪৯৮-১৫১৯ খৃষ্টাব্দ
উত্তর: (ঘ) ১৪৯৮-১৫১৯ খৃষ্টাব্দ

ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন হোসেন শাহ (শাসনকাল ১৪৯৪-১৫১৯) ছিলেন মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান। তিনি হোসেন শাহি রাজবংশের পত্তন করেন। হাবশি সুলতান শামসউদ্দিন মোজাফফর শাহ নিহত হওয়ার পর তিনি বাংলার সুলতান হন। ইতিপূর্বে তিনি মোজাফফর শাহের উজির ছিলেন।

৭২. প্রাচীন বাংলা মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
(ক) অশোক মৌর্য
(খ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
(গ) সমুদ্র গুপ্ত
(ঘ) এর কোনটিই না
উত্তর: (খ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

ব্যাখ্যা: মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী- পাটলীপুত্র। প্রথম সর্বভারতীয় রাষ্ট্র/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সাম্রাজ্য- মৌর্য সাম্রাজ্য। প্রথম সর্বভারতীয় রাষ্ট্র/ ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সাম্রাজ্য স্থাপন করেন- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। সম্রাট অশোক- মৌর্য সম্রাট কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অশোক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। মৌর্যবংশের রাজাদের ক্রম (সকলের সময়েই বাংলা মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত ছিল, এমন নয়): চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য>বিন্দুসার>সম্রাট অশোক>দাশরথি>সম্প্রতি>সালিশুকা>দেববর্মণ> শতধনবান> বৃহদ্রথা।

৭৩. ইউরােপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন–
(ক) পর্তুগীজরা
(খ) ইংরেজরা
(গ) ওলন্দাজরা
(ঘ) ফরাসিরা
উত্তর: (ক) পর্তুগীজরা

ব্যাখ্যা: বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে প্রথম এসেছিল পর্তুগীজরা। ভাস্কো-দা-গামা ছিলেন পর্তুগীজ নাবিক।

৭৪. ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ‘ভেটো’ প্রদান করেছিল?
(ক) যুক্তরাজ্য
(খ) ফ্রান্স
(গ) যুক্তরাষ্ট্র
(ঘ) সােভিয়েত ইভনিয়ন
উত্তর: (ঘ) সােভিয়েত ইভনিয়ন

ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। তখন জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন ইয়াকফ মালিক।তিনিই প্রথম সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, যিনি বিশ্বসভায় বাংলাদেশ নামটি উচ্চারণ করেন।

৭৫. বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
(ক) চতুর্থ তফসিল
(খ) পঞ্চম তফসিল
(গ) ষষ্ঠ তফসিল
(ঘ) সপ্তম তফসিল
উত্তর: (খ) পঞ্চম তফসিল

ব্যাখ্যা: ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজ সারা বিশ্বে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক প্রামাণিক দলিল হিসেবে পরিগণিত, যাকে ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ এর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। ১৯৯২ সালে ইউনেস্কো তার ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ এর স্বীকৃতি প্রদান কর্মসূচি শুরু করে। আমাদের সংবিধানের ১৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিল দ্বারা আমাদের সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উপরন্তু, সংবিধানের ৭(খ) অনুযায়ী, সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের একটি অপরিবর্তনযোগ্য বিধান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে পঞ্চম তফসিলে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি আমাদের সংবিধানের একটি অপরিহার্য ও অপরিবর্তনীয় অংশে পরিণত হয়েছে।

৭৬. বঙ্গভঙ্গকালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
(ক) লর্ড কার্জন
(খ) লর্ড ওয়াভেল
(গ) লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
(ঘ) লর্ড লিনলিথগো
উত্তর: (ক) লর্ড কার্জন

ব্যাখ্যা: ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আদেশে ১ম বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়।কিন্তু ১৯১১ সালে, প্রচণ্ড গণআন্দোলনের ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রহিত হয়। দ্বিতীয়বার বঙ্গভঙ্গ হয় ১৯৪৭ সালে। এ সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।এর ফলে পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানে এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতে যুক্ত হয়। এই পূর্ববঙ্গই পরবর্তীকালে পাকিস্তানের কাছ থেকে এক রক্তক্ষয়ী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে ও বাংলাদেশ নামক একটি নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করে।

৭৭. বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
(ক) সিলেটের বনভুমি
(খ) পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
(গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
(খ) খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
উত্তর: (গ) ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি

ব্যাখ্যা: ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য: বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধূপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।

৭৮. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
(ক) ফরিদপুর
(খ) রংপুর
(গ) জামালপুর
(ঘ) শেরপুর
উত্তর: (ক) ফরিদপুর

৭৯. বাংলাদেশে মােট আবাদযােগ্য জমির পরিমাণ –
(ক) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
(খ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
(গ) ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
(ঘ) ২ কোটি ২১ লক্ষ একর
উত্তর: (ক) ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর

ব্যাখ্যা: মোট আবাদযোগ্য জমি: ৮৫.৭৭ লক্ষ হেক্টর। মোট সেচকৃত জমি: ৭৪.৪৮ লক্ষ হেক্টর। আবাদযোগ্য পতিত: ২.২৩ লক্ষ হেক্টর। উৎস: http://www.brri.gov.bd

৮০. ‘গারাে’ উপজাতি কোন জেলায় বাস করে?
(ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
(খ) সিলেট
(গ) ময়মনসিংহ
(ঘ) টাঙ্গাইল
উত্তর: (গ) ময়মনসিংহ

ব্যাখ্যা: ভারতে মেঘালয় ছাড়াও আসামের কামরূপ, গোয়ালপাড়া ও কারবি আংলং জেলায় এবং বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকা ও গাজীপুর জেলায় গারোরা বাস করে। গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

৮১. ২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per capita GDP (nominal) কত?
(ক) $১,৭৫০ মার্কিন ডলার
(খ) $১,৭৫১ মার্কিন ডলার
(গ) $১,৭৫২ মার্কিন ডলার
(ঘ) $১,৭৫৩ মার্কিন ডলার
উত্তর: (খ) $১,৭৫১ মার্কিন ডলার

ব্যাখ্যা: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে,বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ( Per capita GDP)১,৯০৯ মার্কিন ডলার। বিদায়ী অর্থবছর (২০১৯-২০) শেষে দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪ ডলার।

৮২. বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় –
(ক) ১৯৭২ সালে
(খ) ১৯৭৩ সালে
(গ) ১৯৭৪ সালে
(ঘ) ১৯৭৫ সালে
উত্তর: (গ) ১৯৭৪ সালে

ব্যাখ্যা: আদমশুমারি/জনশুমারি: কোনো দেশের জনসংখ্যার আনুষ্ঠানিক গণনাই আদমশুমারি বা জনশুমারি। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে। তখন চুড়ান্ত ফলাফলে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৪ লাখ। সর্বশেষ ৫ম আদমশুমারি হয়েছে ২০১১ সালের ১৫-১৯ মার্চ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো( BBS) প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি পরিচালনা করে থাকে৷ ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হবে ২০২১ সালে স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে এ কাজে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্হা নাসা৷ সূত্র- বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

৮৩. Inclusive Development Index (IDI)-এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?
(ক) প্রথম স্থান
(খ) দ্বিতীয় স্থান
(গ) তৃতীয় স্থান
(ঘ) চতুর্থ স্থান
উত্তর: (খ) দ্বিতীয় স্থান

ব্যাখ্যা: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর Inclusive Development Index ( IDI) হলো—ভারত (3.09), পাকিস্তান (3.55), বাংলাদেশ(3.98), নেপাল (4.15) ও শ্রীলঙ্কা ( 3.79)।

৮৪. ২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত?
(ক) $ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
(খ) $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
(গ) ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
(ঘ) ১ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর: (খ) $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

৮৫. Alliance যে দেশ ভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলাের সংগঠন
(ক) যুক্তরাজ্যে

  • ক্যাটাগরি: বিসিএস
  • বিষয়:
  • আপলোডার: admin
  • তারিখ: 17 Dec 2025